সোমবার ১ জুন ২০২৬ - ১২:২৪
ইরানের নৈতিক সিনেমার জয়জয়কার: বিশ্ব দরবারে প্রশংসিত ‘চিলড্রেন অব হেভেন’

জাকার্তা, ইন্দোনেশিয়া: ইরানের নৈতিক ও মৌলিক সিনেমার প্রতি বিশ্বজুড়ে বাড়ছে আগ্রহ। ইন্দোনেশিয়ায় অনুষ্ঠিত ‘চিলড্রেন অব হেভেন’ চলচ্চিত্রের বিশেষ প্রদর্শনীতে রাষ্ট্রদূত ও সাংস্কৃতিক উপদেষ্টার উপস্থিতি সেই সত্যকেই আরও মজবুত করল।

হাওজা নিউজ এজেন্সি রিপোর্ট অনুযায়ী, জাকার্তা, ইন্দোনেশিয়া: বিশ্বব্যাপী দর্শকহৃদয় জয় করে চলেছে ইরানের নৈতিক ও মৌলিক সিনেমা। সম্প্রতি ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তায় আয়োজিত এক বিশেষ সিনেমা প্রদর্শনীতে ফুটে উঠল এই স্বীকৃতির নতুন মাত্রা।

ইসলামিক কালচার অ্যান্ড রিলেশনস অর্গানাইজেশনের জনসংযোগ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ‘বাচ্চেহায়ে আসমান’ (চিলড্রেন অব হেভেন) চলচ্চিত্রের বিশেষ প্রদর্শনী উপলক্ষে লাল গালিচায় উপস্থিত হন ইরানের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ বোরুজেরদি এবং জাকার্তায় নিযুক্ত সাংস্কৃতিক উপদেষ্টা ইয়াহিয়া জাহাঙ্গীরি। তারা সংবর্ধনা জানান আলোচিত এই সিনেমার পরিচালক, প্রযোজক, অভিনয়শিল্পী ও অন্যান্য কলাকুশলীদের। ছবিটি বিশ্ববিখ্যাত ইরানি চলচ্চিত্রকার মাজিদ মাজিদির কালজয়ী রচনা থেকে অভিযোজিত।

অনুষ্ঠানে ভাষণ দিতে গিয়ে ইন্দোনেশিয়ায় নিযুক্ত ইরানের সাংস্কৃতিক উপদেষ্টা বলেন, বিশ্বের বহু মানুষ, বিশেষ করে যারা নামী পরিচালক ও চলচ্চিত্রসাধক, তারা ইরানি সিনেমার মৌলিকত্ব, কারিগরি দক্ষতা এবং সর্বোপরি এর নৈতিকতা ও স্বাস্থ্যকর বোধ দ্বারা মুগ্ধ। এই কারণেই ইরানের সিনেমা আজ আন্তর্জাতিক মহলে একটি বিশেষ স্থান করে নিয়েছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, ইরানি সিনেমা শুধু বিনোদনই নয়, বরং মানবিক মূল্যবোধ ও নৈতিকতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। ‘চিলড্রেন অব হেভেন’-এর মতো ছবি সেই বার্তাই সফলভাবে বিশ্বের নানা প্রান্তে পৌঁছে দিয়েছে।

উল্লেখ্য, ‘চিলড্রেন অব হেভেন’ ইরানি সিনেমার অন্যতম সেরা কাজ হিসেবে বিবেচিত। ইন্দোনেশিয়ার চলচ্চিত্রপ্রেমীরা এই প্রদর্শনীতে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন এবং ইরানি সিনেমার শিল্পগুণ ও নৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির ভূয়সী প্রশংসা করেন।

প্রসঙ্গত, ইরানের নৈতিক ও পারিবারিক মূল্যবোধসমৃদ্ধ চলচ্চিত্র নির্মাণ শুধু এশিয়াতেই নয়, ইউরোপ ও আমেরিকার চলচ্চিত্রাঙ্গনেও ব্যাপক সমাদৃত। ‘চিলড্রেন অব হেভেন’ সিনেমার এ প্রদর্শনী সেই ধারারই এক অনন্য মাইলফলক।

Tags

আপনার কমেন্ট

You are replying to: .
captcha